সচেতনতাই সকল রোগের নিয়ামক

সুস্থ্যতাই বড় সম্পদ সকলেরই জানা কি আসচেতন ব্যক্তি তা রক্ষা করতে পারেন। দিন যত যাচ্ছে বিভিন্ন সুবিধা বৃদ্ধির সাথে সাথে সমস্যাও বাড়ছে। সবচেয়ে বেশী ঝুকিতে পড়ছে স্বাস্থ্য ঝুকিতে। বৃট্রিশ ও পাকিস্তান আমলে দুর্ভিক্ষ ছিল, খাদ্যের অভাব ছিল, যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল ঝুকিপূর্ণ। সে কারণে বেচে থাকার জন্য খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতের জন্য শ্রম দিতে হত। কায়িক পরিশ্রম করতে হতো। হেটে যেতে হত মাইলের পর মাইল।

প্রতিজন পুরুষ গড়ে দৈনিক ১৫-১৬ কিলো মটিার হাটতে হত। ্েকজন কৃষক জমি চাষ করতে যেয়ে লাঙ্গলের পিছনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ১৫-১৬ কিলোমিটার বেশী। এরপর হাট, বাজারে যাওয়ার বিষয়টি বাদই দলিাম। মহিলাদের শুধু ভাত তরকারী পাকের কাজেই শুধু নয়। ধান, পাট বাড়ীতে ওঠার পরই ধান শিদ্ধ, শুকানো, ঢেকির মাদ্যমে চাউল তৈরী করা পাট শুকানো, লাকড়ী তৈরী এমনকি রাত্রের অন্ধকারে বাড়ীর আঙ্গিনায় মাটি কেটে বাড়ীর ওঠানও তৈরী করতে দেখেছি। তাদের শ্রমের পরিমান বেশী ছিল। কিন্তু সে তুলনায় ভাল খাবার জোটত না তেমন একটা। শরীরের গঠন হালকা পাতলা। কারণেই তাদের শরীরটি সুস্থ্যতায় ভরপুর। তেমন কোন রোগ শোক চিলনা বলে­ই চলে। তবে খাদ্যের অভাব জনিত রোগে যেমন রক্ত শূণ্যতা হাড়ের ক্ষয় গলগোন্ড রোগ (আইওডিনের অভাবে), চক্ষুরোগ ভিটামিন’এ এর অভাবে ইউরেনারী ব্লাডারে পাথর, নিউমোনিয়া যক্ষাসহ কয়েকটি সমস্যা, তবে বর্তমানের সময়ের মত জীবন হননকারী রোগ তেমনটা ছিল না। যেমন উচ্চ রক্ত চাপ হার্টবল্ক, কিডনী লিভারের সমস্যা, ডায়াবেটিস ইত্যাদি।

এ রোগগুলো এড়িয়ে চলতে সকলকে হতে হবে স্বাস্থ্য সচেতন। আজ আমারা কি দেখছি গরীব ও মধ্যম আয়ের মানুষগুলোর চেয়ে ধনী শ্রেনীর মানুষগুলোই বেশী সমস্যায় আছে। খাও আর ঘোমাও, হাটা বাদ দিয়ে রিক্সাগাড়ীতে চলো নীতিতে বিশ্বাসীরাই বেশী সমস্যায় আছে। বর্তমান প্রজন্মের সন্তানেরা টিভির দিকে তাকিয়ে থাক।ে বাসাবাড়ীর ফ্রেশ খাবারকম খায়। দোকানের তৈরী খাবার থাকে যাকে বলা হয় জরপব ঋড়ড়ফ যাতে থাকে চর্বিজাতীয় উপাদান, ভিটামিন এর বালাই নেই তবে লেবু থাকলে ভিটামিন সি, কিছটা পাওয়া যা। চকলেট তাও বিদেশী হলে তো কোন কথাই নেই। স্বাদ গন্ধ যাই হোক মূল কথা হলো বিদেশী। সমচা, সিংগাড়াসহ বিভিন্ন তৈলাক্ত ভাজাপোড়া খাবারের প্রতি নজর ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের। অনেক সময় পত্র পত্রিকায় লেখালেখি হয়। বাজারের মৃতু মুরগীও ব্যবহার হয়ে থাকে যা অস্বাস্থ্যকরই শুধুনা, অখাদ্য এমনকি ধর্মীয় মতে হারামও বটে। দুর্নীতি পরায়ন অধিক মোনাফাখোর ব্যবসায়ীদের কাছে জীবন,তুচ্ছ। বেকারী কারখানায় ভোবে ড্রাই ফুড তৈরী হয় তা অস্বাস্ত্যকরই শুধু নয় দেখলে রুচিতে ধরবেনা যারা সচক্ষে দেখবেন। তাছাড়া রয়েছে রং বে রং এর আকর্ষণীয় দৃষ্টি নন্দীত খাবার যাতে রয়েছৈ বিভিন্ন কেমিক্যাল, এমনকি গাড়ীর পোড়া মবেল, কাপড়ের রং।

গত ২০০৪ ও ২০০৫ সালে আমি নিজেও ঢাকা সিটিকর্পোরেশন এর ভ্রাম্যামান মোবাইল কোর্টের ভেটেরিনারি চিকিৎসক হিসেবে জড়িত থেকে কাজ করেিেছ। সকল সেক্টরেই কম বেশী সমস্যা চিহ্নিত ও তৎক্ষণাত জরিমানা ও কারাদন্ডের ব্যবস্থা করেছে ভ্রাম্মমান আদালত। এতেও সমস্যা সমাধান হয়নি শতভাগ। মূল কথা হলো বিবেকের মধ্যে ত্র“টি থাকলে কোন ঔষধেই কাজ হবে। এখন সমস্যা থাকবে, যথা সম্ভব চেষ্টা করে তার সমাধানও খুজেবের করতে হবে। ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস। এ ধরনের স্বাস্থ্য বিষয়ক দিবস আরও অনেক আছে। সকল দিবসের মূখ্য উদ্দেশ্যই হচ্ছে স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে জনগণকে ধারনা দেওয়া। তবে মানা না মানা যার যার ব্যক্তিগত বিষয় ও বিবেক। একটি প্রবাদ আছে রোগের বিচৎিসার চেয়ে রোগের দমন বা প্রতিরোধ বেশি গুরুত্ব বহন কের। দুনিয়াতে অনেক রোগ আছে যার উপসর্গ দেখা ওদওয়া মানেই শতভাগ মৃত্যু কোন কোন রোগের প্রতিষেধক আজও তৈরী হয়নি তবে অনেক ক্ষেত্রে। সচেতনতাই প্রধান নিয়ামক। হার্টকে রোগ মুক্ত রাখতে হলে প্রয়োজন ফাষ্টফুড ও ধুম পান মুক্িত জীবন। বেশীর ভাগ রোগের মূল উৎস্য দুর্চিন্তা, অধিক উচ্চাকাঙ্খা, ঘুষ, দুর্নীতি, শত্র“ভয় অলশ জীবন যাপন, খাদ্যাভাষ ও মাদক সেবনসহ বিভিন্ন কারন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial